Courier: Sundarban takes 3-4 working days Contact Us: Chattogram:01324445395, Dhaka: 01324445400

আধুনিক সেচ ও সার ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে পেঁপে চাষ Papaya cultivation

আমাদের দেশে পেঁপে অনেক জনপ্রিয়। পেঁপে এক ধরনের সবজি আবার পাঁকা পেঁপে পুষ্টিকর সুস্বাদু একটু ফল। দ্বিমুখী গুণের অধিকারী পেঁপে চাষ করে আর্থিকভাবেও অনেক স্বচ্ছলতা লাভ করা যায়।ঠিক মতো পরিচর্যা করলে পেঁপে যে কোনো জমিতেই চাষ করা যায়।

জাত:

শাহি পেপে ,বাবু, সিনতা,কাসীমপুরী, রেড লেডি হাইব্রিড।

মাটি

মোটামুটি সব রকমের মাটিতে পেঁপে গাছ হলেও দোঁআশ কিংবা বেলে-দোঁআশ মাটি পেঁপে চাষের জন্য উত্তম।

জমি নির্বাচন

পেঁপের চারা রোপনের জন্য যথা সম্ভব উচুঁ জমি নির্বাচন করতে হবে, বন্যার সময়ও পানি উঠেনা’ এমন জায়গা নির্বাচন করতে হবে।

সময়

আশ্বিন মাসের শেষে কিংবা কার্তিক মাসের শুরুতে পলিবেগে কিংবা বীজতলায় পেঁপের বীজ বুনতে হবে (সেপ্টেম্বর থেকে জানুয়ারী মাসের মধ্যেই)। সুতরাং এখন থেকেই পেপে বাগানের জন্য সকল প্রস্তুতি নিতে হবে।

চারা রোপনঃ

চারার বয়স ৪০ থেকে ৫০ দিন হলে চারা গুলে পলিবেগ বা বীজতলা থেকে অন্যত্র ৬ফিট দূরত্বে গর্ত করে প্রতি গর্তে দুই-তিনটি করে চারা রোপন করতে হবে। 

পেঁপের সাথে অন্য ফসল চাষঃ

পেঁপের সাথে অনায়াসে আদা, সয়াবিন, হলুদ, সরিষা, কলাই, কচু, মরিচ ইত্যাদি সাথী ফসল হিসেবে চাষ করা যায়।

আধুনিক পানি ব্যবস্থাপনাঃ

পেঁপে গাছের বেশি ক্ষতি করে পানি।গাছের চাহিদার অধিক পানি পাইলে গাছ মারা যায়, আবার গাছের কান্ড পচাঁ রোগ দেখা যায়। এই জীবানুটা মূলতো বর্ষার সময় বা অধিক মাএায় ভাসিয়ে সেচ দেওয়ার কারণে হয়। অধিক পানি এই জীবানুকে বহন করে। সেই জন্য বর্ষার সময় সারিতে একটা করে নালা রাখতে হবে যাতে করে বর্ষার সময় গাছের গোড়ায় পানি না বাঁধে। কিন্তু গরম এবং শীতের সময় ভাসিয়ে সেচ গাছের জন্য খুবই ক্ষতিকর। চাহিদার থেকে বেশি পানি পাইলে গাছ মারা যাবে তাতে কৃষক বড় ক্ষতির মুখে পড়ে যাবে। সেই জন্য Drip Irrigation BD কৃষকের সুবিধার কথা চিন্তা করে এবং কৃষি কাজকে আরও সহজ এবং আধুনিক করতে নিয়ে এসেছে অটোমেটিক ইরিগেশন সিস্টেম। যার একটি জনপ্রিয় পদ্ধতি ড্রিপ ইরিগেশন পদ্ধতি বা বিন্দু বিন্দু সেচ পদ্ধতি। এটা আপনার অর্থ, শ্রম ও সময় বাঁচিয়ে একই সাথে অনেক গুলো গাছের গোড়ায় সঠিক পরিমানে পানি পৌছায়ে দিতে সক্ষম।

drip irrigation bd papaya cultivation

ড্রিপ ইরিগেশন সিস্টেম গাছে পানি দেয়ার এক আধুনিক পদ্ধতি

ড্রিপ ইরিগেশন ( Drip Irrigation ) বা বিন্দু সেচ হলো নিয়ন্ত্রিত সেচ ব্যবস্থা। এই পদ্ধতিতে গাছের গোঁড়ায় ফোটা ফোটা করে ধীরে ধীরে পানি দেয়া যায়, তাতে পানি কম প্রয়োজন হয়। ধীরে ধীরে ফোটায় ফোটায় পানি পড়ার কারণে একবার পানি দিলে সেই পানি ছড়িয়ে ছিটিয়ে না গিয়ে উত্তম ভাবে গাছের গোঁড়ায় জমা হয়। শুধুমাত্র গাছের গোঁড়ায় পানি যাওয়ার কারণে গাছের চারিদিকে আগাছা কম হবে। কারণ মুল গাছটিই কেবল পানি পাবে ফলে অন্য গাছ বা আগাছা পানি না পেয়ে বাড়তে পারবে না। গবেষনা থেকে এটা জানা যায় ড্রিপ ইরিগেশন ব্যবস্থায় পানির ব্যবহার ৭৫% পর্যন্ত সাশ্রয় হয়।

ছাদ বা বসতবাড়ির ফল বাগানে অনক সময় গাছের গোড়ায় পানি দ্রুত শুকিয়ে যায়। বার বার পানি দিতে হয়। এতে সময়, শ্রম এবং খরচ বেড়ে যায়। অন্যদিকে সুষম সেচের অভাবে গাছের বৃদ্ধি ও উন্নয়ন ব্যহত হওয়ায় তা থেকে কাংখিত ফলন পাওয়া যায় না। এজন্য ফল বাগানে ড্রিপ ইরিগেশন বা ড্রপ সেচ খুবই কার্যকরী এবং বিশ্বব্যাপী সমাদৃত একটি সেচ পদ্ধতি। এ পদ্ধতিতে এক সাথে সেচ এবং সারও (লিকুইড আকারে) প্রদান করা যায়। এতে গাছের বৃদ্ধি, উন্নয়ন ও ফলন ভাল হয়। বাণিজ্যিক বা বড় বাগানে ড্রিপ সেট ইনস্টল করে নিতে হয়।

ড্রিপ ইরিগেশন সিস্টেমটি দুইভাবে স্থাপন করা যায়। সাধারন পাম্পে বিদ্যুতের সংযোগ দিয়ে। আবার সোলার পাম্প স্থাপন করে বিদ্যুত ছাড়াও কাজ করা যায়। সোলার ড্রিপ ইরিগেশন পদ্ধতির মাধ্যমে একই সাথে সাশ্রয় হয় পানি ,সার এবং শ্রম।এই সিস্টমে কৃষির বহুমুখি খরচ থেকে কৃষক বাচতে পারে।

drip irrigation bd

ড্রিপ ইরিগেশনের যন্ত্রপাতি


-সাধারন পাম্প বা সোলার পাম্প
-৪ মিলি/  ১৬ মিলি ড্রিপ ইরিগেশন পাইপ-ফিল্টার

-ড্রিপার
-অটো কন্ট্রোলার একটি (যদি সেচ পদ্ধতি স্বয়ংক্রিয় করতে চান)
-ফিটিং ও ড্রিপ নজেল ইত্যদি প্রয়োজন মত।

ড্রিপ ইরিগেশন সিসটেমের বৈশিষ্ট ও সুবিধা সমুহ

-দুপ্রাপ্য পানি সম্পদের মিতব্যয়ী ব্যাবহার। ড্রিপ ইরিগেশন পদ্বতিতে চাষ করলে ৭৫% সেচের পানি সাশ্রয় হয়
-উচ্চ উৎপাদনশীলতা
-সাবসারফেস ড্রিপ ইরিগেশন শিডিউলিং
-সহজ স্থাপনা কৌশল
-যে কোন ফসল যথা ধান তরিতরকারী , ইক্ষু , ফল সহ অন্যান্য ফসল
-ড্রিপ ইরিগেশনের ক্ষেত্রে আগাছা জন্মানোর প্রবনতা কম থাকে
-ড্রিপ ইরিগেশনে ৫০% সার কম লাগে, কারন ড্রিপ ইরিগেশনে প্রয়োজনীয় সার রিজার্ভ ট্যাংকিতে দিলে প্রতিটি গাছের গোড়ায় চলে যায় যার কারনে সার অপচয় হয় না
-চাইলেই এটা প্রয়োজন মত বাড়িয়ে নেয়া যায়।

পেঁপে ফল সংগ্রহঃ

কার্তিক মাসের শুরুতে পেঁপের চারা রোপন করা হলে ছয় মাসের মধ্যেই ফল সংগ্রহ করা যায়। বৈশাখ থেকে শ্রাবন মাস পর্যন্ত বাজারে পেঁপের দাম ভালো পাওয়া যায়।

বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন আমাদের ওয়েবসাইটে:www.dripirrigation.com.bd

অথবা পরামর্শ পেতে কথা বলুন নিচে দেওয়া নাম্বারে:

Whatsapp available

01919751845

01919751842

01919751840

We will be happy to hear your thoughts

Leave a Reply

Drip Irrigation BD Ltd. (DIBL)
Logo
Shopping cart